1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় জীনামেজু টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে একুশে পদক প্রাপ্ত ড. জিনবোধি মহাথেরকে গনসংবর্ধনা প্রদান বান্দরবানের লামায় ধর্ষণের ঘটনায় পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ লাখ টাকা জরিমানাবজ্জীবন পূর্ব বিরোধের জেরে স্কুল থেকে ফেরার পথে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ নেত্রকোণায় ট্রাক চাপায় নারীর মৃত্যু বই মেলায় হেপি সরকারের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “হৃদয়ের কাব্যকথা” ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশ থেকে  অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন ২১ফ্রেবুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একবেলা খাবারের আয়োজন মিজানুর রহমান আকন্দ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অমর ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরী ও পুষ্পস্তবক অর্পন বাকেরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রিফাত হত্যার ৬ বছর পর রহস্য উদঘাটন

কুমিল্লার ২০১৫ সালের ৯ মার্চ সদর দক্ষিণে আবদুল্লাহ আল-ফরহাদ রিফাত (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মাথা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সেদিন সকালে উপজেলার ধনপুর এলাকার সোনাইছড়ি খালে প্রথমে মাথাবিহীন দেহ পাওয়া যায়। পরে ৪০ গজ দূর থেকে মাথা উদ্ধারের পর তার পরিচয় পাওয়া যায়।
রিফাত স্থানীয় উপজেলার জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বানিপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে।

সে একই এলাকার চৌয়ারা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলো।
লাশ উদ্ধারের দিনই ওই ছাত্রের মা জোসনা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে থানা পুলিশ এবং পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটির তদন্ত করে তিনজনকে গ্রেফতার করে।

তবে সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় গত বছর ওই তিনজনকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করে সিআইডি।
এরপর মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করলে আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ফের তদন্তের নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে পিবিআই মামলাটির তদন্ত শুরু করে

গত বছরের ৬ অক্টোবর। অবশেষে পিবিআইয়ের তদন্তে দীর্ঘ ৬ বছর পর আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনী বের হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

কুমিল্লা পিবিআই কার্যালয়ে এই হত্যা মামলার বিস্তারিত জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো.হিলাল উদ্দিন।

তিনি জানান, মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর আমাদের পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান স্যারের নির্দেশনায় হত্যার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তৎপরতা শুরু করি। তবে মামলাটি ছিলো একেবারেই ক্লু-লেস। সর্বশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার বিকেলে এ মামলায় সদর দক্ষিণ থানার ধনপুর গ্রামের মৃত সফি মিয়ার ছেলে শাহজালালকে আটক করে। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহজালাল হত্যার ঘটনার বিস্তারিত পিবিআইকে জানায়। পরদিন বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে সে।

জিজ্ঞাসাবাদে শাহজালাল জানিয়েছে- ঘটনার দিন বানিপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রানা ও পাশের গোয়ালমথন গ্রামের আবদুল খালেক মিন্টুর ছেলে নাসির উদ্দিন নিহত রিফাতের পালসার মোটরসাইকেলটি তার কাছে নিয়ে আসে। এরপর ওই দু’জন তাকে বলে- রিফাতকে মারধর করে তারা মোটরসাইকেলটি নিয়ে এসেছে। মোটরসাইকেলটি ভারতে বিক্রি করে দিতে। এরপর শাহজালাল মোটরসাইকেলটি ভারতের এক লোকের কাছে বিক্রি করে দেয়। বিক্রির পর শাহজালাল জানতে পারেন তারা রিফাতকে মারধর নয়, মাথা কেটে খুন করেছে।

পুলিশ পরিদর্শক মো.হিলাল উদ্দিন আরও জানান, শাহজালাল স্বীকারোক্তিতে খুনে জড়িত যেই দু’জনের কথা বলেছে তারা বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছে। ওই দুইজন নিহত রিফাতের সঙ্গে চলাফেরা করতো। তবে এই খুনের পেছনে মোটরসাইকেল ছাড়াও চাঞ্চল্যকর আরও কিছু কারণ রয়েছে। আমরা তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য এখন প্রকাশ করছি না। তদন্ত শেষে শিগগিরই হত্যার পুরো রহস্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রিফাতের মা জোসনা বেগম জানান, লাশ উদ্ধারের তিনদিন আগে ২০১৫ সালের ৬ মার্চ দুপুরে রিফাত মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সে বন্ধুদের সঙ্গে ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় দাওয়াত খেতে গেছে।

সেদিন সন্ধ্যার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইলফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর ৯ মার্চ সকালে উপজেলার সোনাইছড়ি খালের মধ্যে স্থানীয়রা তার মৃতদেহ দেখতে পায়। আমি ছেলের খুনিদের ফাঁসি চাই।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD