1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় জীনামেজু টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে একুশে পদক প্রাপ্ত ড. জিনবোধি মহাথেরকে গনসংবর্ধনা প্রদান বান্দরবানের লামায় ধর্ষণের ঘটনায় পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ লাখ টাকা জরিমানাবজ্জীবন পূর্ব বিরোধের জেরে স্কুল থেকে ফেরার পথে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ নেত্রকোণায় ট্রাক চাপায় নারীর মৃত্যু বই মেলায় হেপি সরকারের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “হৃদয়ের কাব্যকথা” ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশ থেকে  অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন ২১ফ্রেবুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একবেলা খাবারের আয়োজন মিজানুর রহমান আকন্দ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অমর ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরী ও পুষ্পস্তবক অর্পন বাকেরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে

চার শতাধিক হনুমানের পাশে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ কেশবপুরবাসীর

বিরল জাতির কালো মুখো হনুমানকে ঘিরে যশোরের কেশবপুর উপজেলা বাংলাদেশের মানচিত্রে আজ সুপরিচিত জনপথ। কেশবপুর উপজেলা চত্বর, রামচন্দ্রপুর, ব্রহ্মকাটি, পাইলট স্কুল এলাকা, মধ‍্যেকুল, হাসপাতাল এলাকা, ভোগোতি নরেন্দ্রপুর, বালিয়াডাঙ্গা, মনিরামপুরের মুজগুন্নী, বাঙ্গালীপুর, দূর্গাপুর এবং ফকিররাস্তা এলাকা মিলে প্রায় ‘চার শতাধিক’ কালোমুখো হনুমান বসবাস করে। তৎকালীন বৃটিশ সরকারের আমলে মারওয়ারী সম্প্রদায়ের লোকেরা সৌখিনতা বসত, এই কালোমুখো হনুমান এনে ছেড়ে দিয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বংশোবিস্তারের মাধ্যমে কেশবপুরের বিস্তির্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এসব হনুমানের জন্য ‘জীব ও বৈচিত্ত’ সংরক্ষণ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন একমন কলা, খোসাসহ আড়াই কেজি বাদাম, দুইকেজি পাউরুটি সংরক্ষণ করা হয়। তবে এত সংক্ষক হনুমানের বিপরীতে এই খাদ্য একেবারেই কম হওয়াই, শুধু মাত্র উপজেলা পরিষদ চত্বর, হাসপাতাল গেট ও কুটিরবাড়ি শশানে অবস্থানরত হনুমানের মধ্যে এ খাদ্য বিতরণ করা হয়। খাদ্যের অভাবে অনেক হনুমান শ্রেনি বিছিন্ন হয়ে গ্রাম অঞ্চলে যাই, ফলে তারা মানুষের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়। এক সময়ের জীব বৈচিত্র চরন ভূমি হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ। কালের বিবর্তনে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্তির কাল অতিক্রম করছে। কিন্তু প্রতিটি জীব বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কেননা একটি প্রজাতির বিলুপ্তি হলে, অন্য দশটি প্রজাতি তার নির্ভরশীলতা হারাই। ফলে প্রজাতিগুলো বিলুপ্তির পর্যায় চলে আসে। তাই কেশবপুরের এই হনুমান প্রজাতির রক্ষার কাল বিলম্ব না করে, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার। তা না হলে এই বিরল প্রজাতির হনুমান বিলুপ্তি হয়ে যাবে। আর এজন্য সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন কেশবপুরের এলাকাবাসী।:

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD