1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিখোঁজ সংবাদ নান্দাইলে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত প্রবীণ সাংবাদিক জালাল উদ্দীন মন্ডল খালিয়াজুরীতে সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসানের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান প্রদান নওগাঁয় ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো বাবার নওগাঁয় নিজ বাড়ির সামনে খুন হলেন মাতব্বর নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযান ১০১ কজি গাঁজাসহ গ্রেফতার-২ ভূরুঙ্গামারীতে সিটি প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি হলেন সাংবাদিক কাজল ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রফিকুল নেত্রকোনায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ১ টি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ পিস্তল উদ্ধার নওগাঁয় বজ্রপাতে তিন জনের মৃত্যু আমরা সবার ” সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬০ টি পরিবারের মাঝে কৈ মাছ বিতরণ

চেয়ারম্যান লাভলু কাজীর প্রচেষ্টায় মাধবখালীতে উন্নয়নের ছোঁয়া।

মোঃ হাসান খান
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান লাভলুর প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউনিয়ন বাসীর জীবন মান। সেই সাথে ইউনিয়ন জুড়ে লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে নানা সমস্যা ও অনিয়মসহ দূর্নীতিতে জর্জরিত ছিলো এই ইউনিয়ন পরিষদ। এক সময় পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ছিলো অগোছালো এবং জনসাধারণের জনদুর্ভাগের শেষ ছিল না। রাস্তাঘাট ছিল খানাখন্দে ভরা এবং পুল-কালভার্ট ছিল ভাঙ্গাচুরা, যা দিয়ে চলাচলে জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। কিন্তু সেই চিত্র এখন আর চোখে পরেনা। গ্রামীণ জনপদে উন্নত সেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান লাভলু। খুব অল্পসময়ের মধ্যে অনেকগুলো দৃশ্যমান উন্নয়ন করে ইউনিয়নবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

আরো জানা যায় , গত ইউপি নির্বাচনে প্রথম বারের মতো আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় কাজী মিজানুর রহমান লাভলু কে। সেই নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম তালুকদার তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু দলমত নির্বিশেষে লাভলু কাজীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন ইউনিয়নবাসী। তবে ইউপি বাসী যে আশা নিয়ে তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন তিনিও জনগণের সেই আশা পুরোন করতে ইউপি বাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে-ঘাটে নেমে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে মাধবখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা যায়, বর্তমান চেয়ারম্যান যে সকল উন্নয়ন করেছেন তার চিত্র দৃশ্যমান। ইউনিয়নের কাঁঠালতলী বাজারে অবস্থিত এ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি বিগত দিনে জরাজীর্ণ, নোংরা ও অবহেলিত ছিল। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান শপথ গ্রহনের পর ভবনটিকে মেরামত করে চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলির কাচা মাটির রাস্তা গুলো করে দিয়েছেন হেরিংবন্ড রাস্তা, খানাখন্দে ভরা ও ভাঙাচুরা রাস্তাঘাট মেরামত করে নতুন রাস্তায় পরিনত করেছেন। আয়রন ব্রিজ ও লোহার পুল মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের চলাচলে অনুপযোগী ১৬ টি গ্রামীণ সড়ক মাটি কেটে বর্ধিতকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার সুফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়াও ২২ টি কাঁচা সড়ক ইট সলিংয়ের মাধ্যমে পাকা করা হয়েছে। বাকি কাঁচা সড়কগুলোকে কার্পেটিং করার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। রামপুর সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ঈদগাহ মাঠ পাকা করা হয়েছে। মাধবখালী চুয়ারবুনিয়া খালের গোড়ায় ও মুন্সিরহাট বাজার সংলগ্নে ঘাটলা নির্মাণ করেছেন। মুন্সিরহাট বাজারে গাইড ওয়াল ও জনসাধারণের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নতুন টয়লেট নির্মাণ করেছেন। জনগণকে আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিভিন্ন বাজারে, মসজিদে ও বাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রামকে শহরে পরিণত করার জন্য গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে।গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীসহ সরকারী বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এই কাজগুলো করা হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান লাভলু কাজী ।

এছাড়াও ইউনিয়নবাসীর মধ্যে দারিদ্র্যতা দূরীকরণের জন্য সরকারী নির্দেশন মোতাবেক খানা জরিপের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে সরকারী ভিজিডি, ভিজিএফসহ বিভিন্ন সামাজিক ভাতা বিতরণ করে আসছেন তিনি।

তবে যার নেতৃত্বে গ্রামীণ এ জনপদের মানুষ শহুরে জীবনযাত্রার আওতায় এসেছে, সেই ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান লাভলু এখন নানামুখী ষড়যন্ত্রের শিকার বলে জানান স্থানীয়রা। শুধু তাই নয়, সরকারি-বেসরকারি এসব প্রকল্প পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও জানান তাঁরা।

ওয়ার্ড মেম্বার লোকমান হাওলাদার ও সংরক্ষিত নারী মেম্বার শিউলি বেগম জানান, কাজী মিজানুর রহমান লাভলু আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদসহ জনসাধারণের মাঝে যে উন্নয়ন হয়েছে তা এর আগে কোন দিন হয়নি। এমনকি এর আগে কোন চেয়ারম্যান জনগণের জীবন মানোন্নয়নের কথা ভাবেননি। আর এখন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউনিয়ন বাসীর উন্নয়ন তো আছেই সেই সাথে কারো বেতন ভাতা বকেয়া রাখেন না এই সফল চেয়ারম্যান।

চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান লাভলু বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। আওয়ামী লীগ কখনো নিজের কথা ভাবে না, কিভাবে দেশের জনগণের জীবন মানোন্নয়ন করা যায় সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই, তাই আগামীতে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে বলে জনসাধারণ কে আহ্বান জানান।

তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদে আসা সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা জনগণের মাঝে বিতরণ করি। কিন্তু একটি গ্রুপ ভোটে হেরে আমাকে অপদস্ত করতে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। আমি বারবার হিংসার রাজনীতির শিকার হচ্ছি। তাদের ষড়যন্ত্রে যেমন সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাঁধাগ্রস্থ হয় তেমনি দলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে শত বাধা আসলেও আমি জনগনের কল্যানে কাজ করতে কখনও পিছপা হবো না। ইউনিয়ন বাসীর সেবা করে আমি জনগনেন মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD