1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সকল মানুষের ঘরে জামায়াতের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে….. এডভোকেট মতিউর রহমান বাকেরগঞ্জে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে আপন ভাইকে প্রার্থী করলেন এমপি জমে উঠেছে ইয়াংছা বাজার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন সিনিয়র সাংবাদিক মহসিন মিয়ার মায়ের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবেন জামিল হাসান দূর্জয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বাদশার গণসংযোগ দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক, প্রতারণার শিকার হয়ে প্রেমিকের মৃত্যু লামায় এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ ইউপি সদস্যের অনাস্থা বাবার মতো সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই, সাইফুল ডাকুয়া ৫২ বছর মামলার পর নিজের জায়গা ফেরত পেলেন প্রকৃত মালিক

নীলফামারীতে প্রশাসনের মামলার হুমকীতে গলায় দড়ি দিয়ে বৃদ্ধের আত্নহত্যা

ভূমীহীন কছর উদ্দিনের কবরের পাশে বসে আছে ছেলে শরিফুল।
নীলফামারীতে কবুলিয়ত জমিতে বসত ঘর নির্মাণ করায় প্রশাসনের হুমকীতে ৬০ বছর বয়সের কছর উদ্দিন নামে এক ভূমিহীন অসহায় বৃদ্ধের গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত্যার করার অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। কছর উদ্দিন ওই এলাকার মৃত নজমুদ্দীনের ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে যানা যায়, বিগত ১৫/০৭/১৯৯০ সালে ১২১৭৭ নং কবুলিয়ত দলিল মূলে রামনগর ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় বাজার সংলগ্ন ০১ খতিয়ানের ৩২১৭ দাগে ৪০ শতক খাস জমির লিজ পান মৃত কছর উদ্দিন। সেইথেকে ওই জমিতে ঘর বাড়ি নির্মাণ সহ ভোগদখলে ছিলেন তিনি। কিন্তু গুচ্ছগ্রাম করার জন্য পাশের খাস জমির সাথে তহসিলদার মোক্তার সহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আকতার ও সদর সহকারী ভূমী কমিশনার তার জমিটিও অধিগ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন সময় তহসিলদার, সহকারী ভূমী কমিশনার ও নিবার্হী অফিসার তার বাড়ি ভাঙ্গার হুমকী দিয়ে থাকে।

এলাকার নুর ইসলাম বলেন, মৃত কছর উদ্দিনের বসবাসের স্থান হিসেবে ওই জমিটি ছাড়া আর কোন জমিই নেই। তাই ওই জমিতে দুটি ঘর করে কোন রকমে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। কিন্তু প্রশাসনের বার বার চাপের কারণে আজ তার মৃত। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে এর সঠিক বিচার চাই।

মৃত কছর উদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা অসহায় দরিদ্র মানুষ। মাথা গোঁজার জন্য তীল পরিমাণ জমিও নাই। কবুলিয়ত মূলে আমার বাবার লিজ পাওয়া ওই জমিতে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে কোনরকমে জীবন যাপন করছি। কিন্তু গুচ্ছগ্রাম করার জন্য পাশের খাস জমির সাথে তহসিলদার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সদর সহকারী ভূমী কমিশনার আমার বাবার নামে কবুলিয়ত জমিটিও অধিগ্রহণ করেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় তহসিলদারের সাথে পরামর্শ করলে তিনি আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবী করেন। ধার দেনা করে ৫০ হাজার টাকা তাকে দেই। টাকা নেওয়ার পরেও শুরু হয় এই তিন সরকারী কর্মকর্তার হুমকী। বার বার বাড়ি ভাঙ্গার হুমকী ও জেল জরিমাণার ভয়ে আমার বাবা আজ নেই। আমি আমার বাবার মৃত্যুর বিচার চাই।

৫০ হাজার টাকা গ্রহণ ও হুমকী দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রামনগর ইউনিয়েনের সহকারী ভূমী কর্মকর্তা বিষয়টি অস্বিকার করেন বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ করা হচ্ছে।

এবিষয়ে সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার এলিনা আকতারের সাথে কথা হলে তিনি হুমকী দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাকে অন্য দাগে জমি দেওয়ার কথা হয়েছিলো। এরমধ্যেই তিনি কি কারণে আত্নহত্যা করেছেন তা আমার জানা নাই এবং তহসিলদারকে টাকা দেওয়ার বিষয়য়ে আমাকে কোন অভিযোগ করেননি।

আত্নহত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউপ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD