ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের পূর্ব বারুইগ্রামের কৃষক আবুল বাশারের পুত্র মো. রুবেল মিয়া বাবার জমি বিক্রী করে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও বয়সের স্বল্পতায় আর বিদেশ যাওয়া হয়নি। এতে উক্ত যুবক রুবেল মিয়া নিজ চেষ্টা কিছু করার জন্য উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতায় যুব উন্নয়ন থেকে গবাদী পশু-পাখি পালনের প্রশিক্ষন গ্রহন করে। পরে মাত্র ১৫টি সোনালী মুরগী দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করে। বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তুলে হাসঁ-মুরগী, গরু-ছাগল ও কবুতর পালনের ফার্ম। প্রথমত কিছুটা বেগ পোহাতে হলেও ধীরে ধীরে সে সফলতার দিকে এগোতে থাকে। বর্তমানে রুবেল মিয়া তারঁ বাবার সহযোগিতায় প্রায় ছয় হাজার সোনালী মুরগীর দুটি ফার্ম, একটি গরুর ফার্মে ১০টি গরু, রাজহংসী সহ দেড় শতাধিক দেশী হাঁস, বিভিন্ন প্রজাতির ২৫ জোঁড়া কবুতর, ও তিনটি ফিসারীতে দেশীয় মাছ চাষ করে আজ বেশ স্বাবলম্বী। বর্তমানে তাঁর ফার্মে ৬ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছে। এ বিষয়ে খামারি রুবেল মিয়া জানান, বেকার যুবকরা চাকরির পিছনে না ঘুরে যদি গবাদী পশু-পালনের প্রশিক্ষন গ্রহন করে একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়, তবে সফলতা নিশ্চিত। রুবেল মিয়া আরও জানান, সরকারি সহযোগীতায় স্বল্প সুদে তাকে ঋণ দেওয়া হলে তাঁর ফার্মটিকে বড় করে গড়ে তুলবে এবং এতে এলাকার বেকার যুবকদেরও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তাই এ ব্যাপারে নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছেন খামারি রুবেল মিয়া। নান্দাইল উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মলয় কান্তি মোদক বলেন, খামারি রুবেল মিয়া একজন সফল উদ্যোক্তা। প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে তাকে সবধরনের সহযোগীতা দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং তা আরো অব্যাহত থাকবে। আমি আশা করবো সফল খামারি রুবেল মিয়ার মত অন্যান্য বেকার যুবকরাও গবাদী পশু-পাখি পালনের প্রশিক্ষন গ্রহন করে উদ্যোক্তা হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তথা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে অংশীদার হবে এবং নিজেরাও স্বাবলম্বী হবে।