1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সকল মানুষের ঘরে জামায়াতের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে….. এডভোকেট মতিউর রহমান বাকেরগঞ্জে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে আপন ভাইকে প্রার্থী করলেন এমপি জমে উঠেছে ইয়াংছা বাজার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন সিনিয়র সাংবাদিক মহসিন মিয়ার মায়ের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবেন জামিল হাসান দূর্জয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বাদশার গণসংযোগ দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক, প্রতারণার শিকার হয়ে প্রেমিকের মৃত্যু লামায় এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ ইউপি সদস্যের অনাস্থা বাবার মতো সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই, সাইফুল ডাকুয়া ৫২ বছর মামলার পর নিজের জায়গা ফেরত পেলেন প্রকৃত মালিক

মৃত্যুর অপেক্ষায় তিন ভাই

রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ আমতলা সংলগ্ন ট্যাকসোর দিঘি গ্রামের বাসিন্দা নাসির, রফিক ও বশির তিন ভাই। জন্ম যদিও আগে পরে কিন্তু এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন একইসঙ্গে। প্যারালাইসিস জাতীয় এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তারা। একই রোগে বাবা, চাচাসহ অন্য ভাই-বোনদের মরতে দেখেছেন তারা। অথচ তাদের সবার জীবনের শুরুটা ছিল অন্য আর দশজনের মতোই স্বাভাবিক।
অভিশপ্ত এ রোগে সুখ আর আনন্দে ভরা পরিবারের সদস্যদের একে একে মৃত্যুবরণ করতে হচ্ছে অকালেই। সেই একই রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন মৃত্যু পথযাত্রী নাসির, রফিক ও বশির। রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ আমতলা সংলগ্ন ট্যাকসোর দিঘী গ্রামে গিয়ে দেখা মিলে ওই তিন ভাইয়ের। তাদের কারও মুখে হাসি নেই। অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় সারাক্ষণ কাঁপতে কাঁপতে দিনাতিবাহিত করছেন তারা।
সরেজমিনে জানা যায়, আমতলা ট্যাকসোর দিঘী গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে নাসির হোসেন (৪৪), রফিকুল ইসলাম (৪২) ও বশির আহমেদ (৪০) দেলোয়ার হোসেন ১৯৯০ সালে প্রথম এক ধরনের প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হন। এ রোগের কারণে একজন ব্যক্তি নিজেকে স্থির রাখতে পারেন না, সারাক্ষণ কাঁপতে থাকেন। দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘ পাঁচ বছর ওই রোগে আক্রান্ত থাকার পর ১৯৯৫ সালে মারা যান।
দেলোয়ারের মৃত্যুর পর তার আরেক ভাই নূর ইসলামও একই রোগে আক্রান্ত হন। বিভিন্ন চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। কিন্তু তাতেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। একইভাবে নূর ইসলামের ছেলে জামাল হোসেন, মেয়ে রেহেনা ও নাজমা বেগমও প্যারালাইসিস জাতীয় ওই রোগে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন রোগাক্রান্ত থাকার পর একে একে তাদের সবাই মারা যান।
বর্তমানে দেলোয়ার হোসেনের তিন ছেলে নাসির, রফিক ও বশির এবং মেয়ে রোকসানা এই একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বৈবাহিক কারণে রোকসানা শ্বশুরবাড়িতে রয়েছেন। তবে আক্রান্ত তিন ভাই একই বাড়িতে অবস্থান করছেন। বড় ভাই জাকির হোসেন তিনজনকে দেখাশোনা করছেন।
ঘাতক এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর রফিক ও বশিরের সংসারে অন্ধকার নেমে এসেছে। তাদের দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন স্ত্রী-সন্তানরা। রফিক ও বশিরের স্ত্রী এবং দুই সন্তান বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। আজও তারা ফিরে আসেননি। বাধ্য হয়েই অসুস্থ ভাইদের নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন তাদের বড় ভাই জাকির হোসেন। বর্তমানে জাকিরের বাড়িতেই রয়েছেন তিন ভাই।
এই রোগ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং চিকিৎসা করেও ভাল হওয়ার আশংকাও অনেক কম।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD