1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

রাজবাড়ীর খানখানাপুর বাজারে সুস্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ প্রশাসন নজর দিন

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারে বেশিরভাগই মানুষগুলো সুস্বাস্থ্য বিধি মানছে না
চলছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন।

বিশেষ করে কাঁচাবাজারগুলোতে এখনো গাদাগাদি করে বেচা কেনা করতে দেখা গেছে। এতে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকছে না।

পাশাপাশি বেশিরভাগ ক্রেতা ও বিক্রেতাকে মাস্ক ছাড়াই বেচা কেনা করতে দেখা গেছে। অনেকের মাস্ক থাকলেও ব্যবহারে উদাসীন।

দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র পত্রিকার একটি টিম সরেজমিনে। খানখানাপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সবজি, মাছ, মুদি, ফল বিক্রেতাসহ অধিকাংশ দোকানদারই মাস্ক ছাড়া পণ্য বিক্রি করছেন। একই সঙ্গে মাস্ক ছাড়াই কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।

মানছেন না নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব। ক্রেতাদের কারো কারো মুখে মাস্ক থাকলেও বিক্রেতাদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক নেই। অনেকে মাস্ক পরলেও তা নিদিষ্ট স্থানে থেকে নামিয়ে রাখতে দেখা গেছে৷ এছাড়া বাজারে ছোট ছোট চায়ের দোকানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। দূরত্ব বজায় না রেখেই এসব চলতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে নাম না বলা বাজারের এক মুদি দোকানের মালিক বলেন, লকডাউনের খবরে গত দুই দিন মানুষ আখেরি কেনাকাটা করেছে। তবে আজকে কম। মানুষকে বলেও স্বাস্থ্যবিধি মানানো যায় না। কার আগে কে সদাই নেবে সে প্রতিযোগিতায় সব কিছু ভুলে যায়। যদিও বলা হয় দূরত্ব বজায় রাখতে কিন্তু এতে কোনো লাভ হয় না।

আর দূরত্ব বজায় রাখতে হলে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। তখন পাশের দোকানদারের সমস্যা হয়। আমি মাস্ক না পরলে বলি ভাই মাস্কটা পরে পণ্য নেন ও দূরত্ব বজায় রাখুন। জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হলে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে।

বাজারের আরেক মুদি দোকানদার ছালাম সেক বলেন, কাজের সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মানানো অনেক কঠিন। নিজে সচেতন না হলে এটা সম্ভব না। গত দুই দিন অনেক বেচা কেনা হয়েছে। এখন একটু কম। এতে পেঁয়াজ, আদা, আলু ও চালের দাম বেড়ে গেছে। তবে অন্যান্য মুদি পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাজার করতে আসা মো. নাজমুল হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন সকলে কাঁচাবাজার করি। আজকে বাজারে ভালোই ভিড় । কিন্তু গত দুইদিনেও মানুষ প্রচুর কেনাকাটা করেছে। ফলে জিনিস পত্রের দাম বেড়ে গেছে৷ ভিড় থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অনেকেই। অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না, আবার দোকানগুলোও নিদিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখছে না।

তিনি আরো বলেন, সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। নয়তো সাধারণ মানুষ এভাবেই চলবে। করোনা বাড়লেও অনেকের সংক্রমণের ভয় নেই। তাদের বাধ্য করতে হবে। চায়ের দোকানগুলোতে অযথা আড্ডা বন্ধ করতে হবে।

এদিকে লকডাউনের খবরে বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম। বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, তিনদিন আগের ১৮ থেকে ২০ টাকায় যে আলু বিক্রি হতো এখন সেই আলু প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকা দরে। ৩৫ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়, ৬০ টাকা কেজির আদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে। একই সঙ্গে দাম বেড়েছে সব ধরনের চালের। বিক্রেতারা প্রতিকেজি চালে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি নিচ্ছেন। পাশাপাশি বেড়েছে ডিমের দাম। গত সপ্তাহে প্রতি হালি ডিম ২৮ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা হালি।

এ বিষয়ে কাঁচাবাজারের নাম না বলা এক দোকানী বলেন, দাম বাড়লে আমরা কি করবো। আমরা আড়ৎ থেকে বেশি দামে পণ্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করি। তিনদিন আগে যে আলু ১৮ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন বাধ্য হয়ে ২২ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। ৩৫ টাকার পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ৫০ টাকার আদা ১১০ টাকা হয়েছে। আমাদের কিছু করার নেই। সাধারণ মানুষও লকডাউনের খবর শুনে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে বাজারে। হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। আর চাহিদা বাড়লে দামও বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে খানখানাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম লাল বলেন। আমরা জনগণকে সর্বক্ষণ মাইকিং করে বলে দিচ্ছি ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করবেন
অযথা ঘরের বাইরে বের হবেন না।

তিনি আরো বলেন আমরা সর্বক্ষণ মাঠে কাজ করছি এবং এই কাজ অব্যাহত থাকবে

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD