1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন “গ্রীন মোহনগঞ্জ” এর সার্বিক সফলতা ও পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জনাব সাজ্জাদুল হাসান এমপি। খালিয়াজুরীতে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ লাঠির আঘাতে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনা ডেভেলপমেন্ট ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের দিন পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মদন উপজেলা গোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বরগুনায় স্বপ্নযাত্রী একতা ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন সাজ্জাদুল হাসান এমপি ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান কাইয়ুম খান ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাশেদুল হাসান রাসেল

শাল্লার প্রতিটি গ্রামে চলছে ভাটির ঐতিহ্য ফুটবল খেলার উৎসব

ভাটি এলাকার একসময়কার ঐতিহ্য এবং আকর্ষনীয় বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল জ্যৈষ্ঠ মাসে গ্রামের মাঠে ফুটবল খেলা। বর্ষায় বিকেলে গ্রামের উঠোনে কাবাডি কাবাডি সুরে হাডুডু খেলা আর সন্ধ্যার পর মাসব্যাপি যাত্রার রিহার্সেলে অংশ নেওয়া ছিল ভাটি বাংলার দামাল ছেলেদের অন্যরকম আকর্ষণ। সময়ের বিবর্তনে এসব শুধুই অতীত। কিন্তু এবছর প্রকৃতি অনুকুলে থাকায় এবং অসময়ে পানি না আসায় গ্রাম বাংলার পুরনো ঐতিহ্য ফুটবল আবার চেনা রূপে ফিরে এসেছে। প্রায় প্রতিদিনই শাল্লার কোনো না কোনো গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিযোগীতামুলক ফুটবল খেলা। ভাটির জনপদ শাল্লার হাওরপাড়ের কৃষক ধান গোলায় তোলার পর অবসর বিনোদনের মাধ্যম ওই ফুটবল খেলা দেখতে প্রতিটি মাঠে হাজার হাজার দর্শকের সমাগম হচ্ছে।
বিগত 7 দিন শাল্লার বিভিন্ন গ্রামে ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখে এবং ফুটবল সংগঠকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবছর বৈশাখী ফসল ভালো হওয়াতে এবং ধানের মূল্য বেশি থাকায় কৃষকরা আনন্দে রয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসে ফুটবল মাঠ পানিতে না ডুবার কারণে গ্রাম বাংলার মানুষ প্রিয় খেলা ফুটবল আয়োজন করছে। প্রতিটি ফুটবল আসরই ১২/১৬ টিমের মধ্যে হচ্ছে। তাই প্রতিদিন শাল্লার কোনো না কোনো মাঠে প্রতিযোগীতামুলক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশী খেলোয়াড়দের আগমনের কারণে প্রতিটি খেলা দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে হাজার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটছে।
তবে এতো ফুটবল খেলা পরিচালনার জন্য দক্ষ, প্রশিক্ষিত রেফারীর অভাব থাকার কারণে প্রায়ই খেলায় অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি হয়। এলাকার একমাত্র রেফারী কালিপদ রায় এর একা একা একাধিক মাঠের খেলা পরিচালনা করা একেবারেই অসম্ভব। তাই ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও বেশ কয়েকজন রেফারী প্রস্তুত করে মাঠের খেলাকে আরও আনন্দময় করে তোলার জন্য ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের প্রাণের দাবী। এ ব্যাপারে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কালিপদ রায় বলেন, আমি খেলা পাগল মানুষ। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শাল্লার প্রতিটি গ্রামেই ফুটবলের আসর বসছে। মানুষ বিনোদন পাচ্ছে। আমরা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেনের নেতৃত্বে বৈশাখের মাঝামাঝি থেকে প্রায় পনের দিন ৮০ টি গ্রামে গিয়ে ১৬০ টির মতো ফুটবল, ত্রিশ সেট জার্সি, দশ জোড়া বুট ও হ্যান্ডগ্লাভস খেলোয়াড়দের মধ্যে বিতরণ করেছি। আর প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আরও কয়েকজন রেফারী প্রস্তুত করার চিন্তা ভাবনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের মাথায় রয়েছে।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মুক্তাদির হোসেন বলেন, যুব সমাজকে বিপদগামীতা থেকে রক্ষা করতে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে উৎসাহিত করতে হবে। তাই ভাটি এলাকায় ফুটবল খেলায় যুবকরা মেতে উঠেছে। তাদের এই উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখতে পারলে তারা একদিন জাতীয় পর্যায়ে যেতে পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD