1. rana.bdpress@gmail.com : admin :
  2. admin@dailychandpurjamin.com : mazharul islam : mazharul islam
  3. rmctvnews@gmail.com : adminbd :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিজানুর রহমান আকন্দ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অমর ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরী ও পুষ্পস্তবক অর্পন বাকেরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন বাকেরগঞ্জের কৃতি সন্তান বশির আহমেদ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরা হলোনা কলেজ শিক্ষার্থী লাকির বান্দরবান জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইয়াংছা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থসহ ত্রাণ সামগ্রী ভিতরণ লামার ইয়াংছা বাজারে ভয়াবহ আগুন, কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি শ্রীপুরে, মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রেফতার ভুল তথ্য প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়ে লামায় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী’র সংবাদ সম্মেলন কুড়িগ্রামে মাদক বিরোধী জনসচেতনতা সভা ও প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন সিলিন্ডার আটকিয়ে দিল পুলিশ

সাতক্ষীরায় অক্সিজেন স্বল্পতায় আট জন রোগীর মৃত্যুর খবরের রেশ না কাটতেই এবার এ জেলাতে অসুস্থ বৃদ্ধ বাবার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়ার পথে শহরের ইটাগাছা হাটের মোড়ে ছেলেকে দুই ঘণ্টা আটকে রাখার মতো ঘোরতর অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদর থানার এএসআই সুভাষ সেনের বিরুদ্ধে। সময় মতো অক্সিজেন বাড়িতে না পৌছানোয় ঐ বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের দাবী।

গত বৃহস্পতিবার, ৮ জুন সকালে শহরের ইটাগাছা হাটের মোড়ে অক্সিজেন আনতে যাওয়া মোটর সাইকেল আরোহীকে আটকিয়ে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসময় সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের বৈচনা গ্রামের বাড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে অক্সিজেনের অভাবে মারা যান রজব আলী মোড়ল (৬৫) নামের এক বৃৃদ্ধ।

রজব আলী মোড়লের ছেলে ওলিউল ইসলাম জানান, তার বাবা আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। বাড়িতে সিলিন্ডার অক্সিজেন রাখা ছিল কিন্তু অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার আগে দ্রুত অক্সিজেন আনতে শহরে যায়। বেলা দশটার দিকে হাটের মোড়ে পৌঁছালে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুভাষ চন্দ্র সেন আমাকে থামতে বলেন এবং গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান। জরুরি হওয়ায় কাগজপত্র রেখে এসেছি জানালে তখন ঐ এএসআই টাকা দাবি করে। এসময় আমি কান্না কন্ঠে বার বার বিষয়টি খুলে বললে তিনি আমাকে ছাড়েনি। কোন উপায় না পেয়ে জনৈক একজন ব্যক্তির মধ্যস্থতায় বাবার অক্সিজেন ক্রয়ের জন্য ৫০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা দিলে তিনি গাড়ির চাবি ফেরত দেন।

তিনি আরোও বলেন, অক্সিজেন নিয়ে বাড়িতে ফিরে দেখি সিলিন্ডারে অক্সিজেন নেই বাবা মুমূর্ষ অবস্থায়, আমি মুখে পানি দিতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বৃদ্ধের ছেলে ওলিউল কান্নাকন্ঠে আরোও বলতে থাকেন, ২০-১৫ মিনিট আগে পৌঁছাতে পারলে বাবা মারা যেতেন না। এই অমানবিক ঘটনার বিচার দাবী করেন তিনি।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এএসআই সুভাষ চন্দ্র বলেন, মোটর সাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলাম, দেখাতে পারেননি সেজন্য বাড়ি থেকে কাগজপত্র এনে দেখাতে বলেছিলাম। বাবার জন্য অক্সিজেন আনার বিষয়টি জানার পর তাকে বলেছিলাম পরে এসে কাগজপত্র দেখিয়ে যেতে কিন্তু তাকে বেশি সময় আটকেও রাখিনি। পরবর্তীতে শুনলাম তার বাবা মারা গেছেন। এটি দুর্ঘটনাবশত হয়ে গেছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন এ সম্পর্কে বলেন, রাতেই এএসআই সুভাষ সেনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি ও গঠন করা হয়েছে। উক্ত ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার এমন অমানবিক পুলিশ হয়রানির ঘটনার বিচারও দাবী করেন।

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 rmcnewsbd
Theme Developed BY Desig Host BD